থিয়েটারের অজানা কথা
থিয়েটার ডেস্ক
"অভিনয় মানেই প্রথমে যেটা আসে সেটা হল থিয়েটার। একটা বাক্য লিখতে গেলে যেমন অ,আ,ক,খ দরকার পরে তেমন অভিনয়ের ক.খ জানতে হলে থিয়েটার বা নাটক আবশ্যক।"
অভিনয় মানেই প্রথমে যেটা আসে সেটা হল থিয়েটার। একটা বাক্য লিখতে গেলে যেমন অ,আ,ক,খ দরকার পরে তেমন অভিনয়ের ক.খ জানতে হলে থিয়েটার বা নাটক আবশ্যক। কলকাতার বুকে গড়ে ওঠা অসংখ্য থিয়েটার এর মধ্যে বহু প্রাচীন থিয়েটার হল তপন থিয়েটার। লোক মুখে শোনা যায় ব্রিটিশ আমলে তপন চৌধুরী নামে তাঁর পিতা রাম চৌধুরী কলকাতার রাসবিহারীতে তপন থিয়েটার স্থাপন করেছিলেন। ১৯ শতকের প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিনোদন হিসাবে এটি শুরু হয়েছিল।
এরপর ২০০৪ সালে এই তপন থিয়েটারের দায়িত্বে আসেন অহসেন সময় মিত্র। তাঁর হাত ধরে তপন থিয়েটারের নতুন পথচলা শুরু হয়। তপন থিয়েটারের পাশাপাশি তিনি নিভা আর্টস প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময় তপন থিয়েটারের উল্লেখযোগ্য নাটকটি হলো 'নহবত'। এই 'নহবত' নাটক প্রচুর পরিমাণে দর্শকের মনকে আকৃষ্ট করে।
বহু সম্মানীয় শিল্পীগণের অভিনীত নাটকের দ্বারা তপন থিয়েটার আলোকিত হয়ে ওঠে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মতো স্বর্ণযুগীয় শিল্পীরা এখানে নাটক করেছেন। তপন থিয়েটারের উল্লেখযোগ্য নাটকগুলি হল— 'দর্পনে শরৎশষ্ঠী', সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশিত নাটক 'লাগলে যাবেন', 'জননী', 'চন্দ্রগুপ্ত', 'আনন্দ মঠ' আর 'ঝিন্দের বন্দী' প্রভৃতি।
এখন নতুন প্রজন্মের কাছে যারা থিয়েটার ভালোবাসে তারা নিয়মিত নাট্যদলকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অনেক দিকপাল অভিনেতা ও অভিনেত্রী তপন থিয়েটারের সাথে যুক্ত এবং একে সক্রিয়ভাবে টিকিয়ে রেখেছেন।