"অপরাজিতা" — যার অর্থ যাকে কখনো পরাজিত করা যায় না। যে অপরাজেয়, স্বমহিমায় দীপ্তিময় এবং আত্মমর্যাদার এক জ্বলন্ত প্রতীক। আমাদের সমাজব্যবস্থায় হাজারো প্রতিকূলতা, সাংসারিক দায়িত্ব এবং অদৃশ্য শৃঙ্খলের মাঝেও যে নারীরা প্রতিদিন ভোরে সূর্য ওঠার আগে জেগে ওঠেন এবং মাঝরাতের পর সকলের শেষে ঘুমাতে যান, তাদের প্রতিটি অশ্রুবিন্দু, দীর্ঘশ্বাস, আত্মত্যাগ এবং না বলা কথাগুলোর সাক্ষী হতে চায় আমাদের এই উদ্যোগ। হৃদয়ে অপরাজিতা কেবল কোনো সাধারণ বিনোদনমূলক বা রন্ধনবিষয়ক পত্রিকা নয়; এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। এটি এমন এক মঞ্চ, যা নিভৃত প্রতিভাকে খুঁজে এনে তাকে আলোর বৃত্তে দাঁড় করাতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

২০১৯ সালের শুভক্ষণে যখন ডিজিটাল যুগের এক নতুন জোয়ার আসছিল, তখন এক অভিনব ভাবনার বশবর্তী হয়ে আত্মপ্রকাশ করে হৃদয়ে অপরাজিতা ডিজিটাল ম্যাগাজিন। শুরুতে সম্পূর্ণ অনলাইন মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছানো। মানুষের বিপুল সাড়া, ভালোবাসা এবং নিঃস্বার্থ অনুপ্রেরণায় ভর করে ২০২০ সাল থেকে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমাদের মুদ্রিত বা অফলাইন (Print) সংস্করণ প্রকাশিত হতে শুরু করে। প্রতিটি মানুষের জীবনের এক একটি অনন্য অধ্যায় থাকে, এক একটি না-বলা লড়াই থাকে। সেই উপেক্ষিত অথচ প্রতিভাময়ী নারীদের স্বপ্নকে সত্য করার জন্য, তাদের মনের অব্যক্ত কথাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার এক দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন দুই দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব — জনাব অভি কুণ্ডু (Founder & CEO) এবং শ্রীমতী জ্যোতি কুণ্ডু ঘোষ (Co-Founder & CEO)

অপরাজিতার মূল আদর্শ ও ৪টি সেবামূলক স্তম্ভ (Core Pillars)

আমাদের লক্ষ্য কেবল গুটিকয়েক খবর বা রেসিপি পরিবেশন করা নয়। হৃদয়ে অপরাজিতা গড়ে উঠেছে চারটি সুদৃঢ় স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে, যা আমাদের প্রতিটি চিন্তাভাবনা ও কাজের দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে:

নারী ক্ষমতায়ন (Women Empowerment)

যে নারীরা পরিবার ও সমাজের মেরুদণ্ড অথচ নিভৃতে অবহেলিত, তাদের অর্থনৈতিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাবলম্বী করে তোলা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা তাদের আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করি।

প্রতিভার স্বীকৃতি (Recognition of Talent)

বাংলার গ্রামগঞ্জ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে অসংখ্য প্রতিভাশালী নারী রয়েছেন যাদের উপযুক্ত প্রচার বা সুযোগ নেই। আমরা তাদের লুকানো প্রতিভাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরি এবং প্রাপ্য সম্মান প্রদান করি।

নতুন সুযোগ সৃষ্টি (Creating Opportunities)

শুধু ম্যাগাজিনের পাতায় নাম প্রকাশ নয়, আমরা বিভিন্ন কর্মশালা, ব্র্যান্ড কোলাবোরেশন ও ফ্যাশন শুটের মাধ্যমে নতুনদের পেশাদার জগতে কাজের সুযোগ তৈরি করে দিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করি।

সামাজিক সচেতনতা (Social Awareness)

সমাজে কুসংস্কার দূরীকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং তৃতীয় লিঙ্গের (Transgender) অধিকার নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত সোচ্চার। আমাদের ম্যাগাজিন বিশ্বাস করে — সম্মান ও আত্মমর্যাদা সকলের সমান অধিকার।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, আমাদের এই ম্যাগাজিন এক অনন্য মানবিক ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার সমর্থক। সমাজে যারা চিরকাল অবহেলিত, বিশেষ করে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজন (Third Gender/Transgender) যারা নিজেদের আত্মপরিচয় ও মর্যাদার অধিকার আদায়ে লড়াই করছেন, হৃদয়ে অপরাজিতা তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের বার্তা অত্যন্ত স্পষ্ট ও সংবেদনশীল — "আপনারা একা নন, আমাদের ম্যাগাজিনের পাতায় এবং আমাদের হৃদয়ে আপনাদের সমান অধিকার ও স্থান রয়েছে।" আমরা বিশ্বাস করি লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের সুপ্ত ক্ষমতাকে সম্মান জানানোই প্রকৃত সভ্যতার পরিচয়।

আমাদের চালিকাশক্তি: দূরদর্শী কান্ডারীদ্বয় (Our Stalwarts)

হৃদয়ে অপরাজিতা ম্যাগাজিনের আজকের এই সফল রূপ এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনের নেপথ্যে রয়েছেন এমন দুজন মানুষ, যাদের অসীম পরিশ্রম, সৃজনশীল মন এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিয়েছে।

FOUNDER & CEO
অভি কুণ্ডু

অভি কুণ্ডু (Abhi Kundu)

Media Professional | Executive Producer

২০১১ সাল থেকে বাংলা বিনোদন জগতের এক সুপরিচিত এবং অত্যন্ত দক্ষ মিডিয়া প্রফেশনাল হলেন জনাব অভি কুণ্ডু। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি জি বাংলা (Zee Bangla) এবং স্টার জলসা (Star Jalsha)-র মতো প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলে প্রোগ্রামার ও প্রডিউসার হিসেবে সাফল্যের সাথে কাজ করেছেন। বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক (Executive Producer) হিসেবেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বিনোদন জগতের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় এবং প্রচার মাধ্যমের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অবহেলিত নারীদের ক্ষমতায়নে একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে ২০১৯ সালে তিনি "হৃদয়ে অপরাজিতা" ম্যাগাজিন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব আজ এই প্রতিষ্ঠানকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।

CO-FOUNDER & CEO
জ্যোতি ঘোষ

জ্যোতি ঘোষ (Jyoti Ghosh)

Dancer | Model | Co-Founder

মাত্র ১১ বছর বয়সে বিনোদন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পা রাখা শ্রীমতী জ্যোতি ঘোষ একাধারে একজন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও মডেল। তিনি শাস্ত্রীয় ও আধুনিক নৃত্যে তাঁর অসাধারণ দক্ষতার জন্য ২০১৮ সালে ওড়িশা সরকার কর্তৃক মর্যাদাপূর্ণ "নৃত্যশ্রী সম্মান" (Nrityashree Samman) লাভ করেন। বাংলার সংস্কৃতির গভীর অনুরাগী জ্যোতি বিশ্বাস করতেন যে শিল্প ও সৌন্দর্যের আসল সার্থকতা তখনই, যখন তা সমাজের কোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের কাজে লাগে। ২০১৯ সালে অভি কুণ্ডুর সাথে যৌথভাবে তিনি এই ম্যাগাজিনের রূপরেখা তৈরি করেন। বর্তমানে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে "হৃদয়ে অপরাজিতা" এর ৬ষ্ঠ বর্ষপূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। বাংলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা নারীদের অন্তরের সুপ্ত 'অপরাজিতা' সত্তাকে জাগিয়ে তোলার নেপথ্যে তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

আমাদের গৌরবময় মূল উদ্যোগসমূহ (Our Key Initiatives)

হৃদয়ে অপরাজিতা কেবল কয়েকটি পৃষ্ঠার মুদ্রিত লেখা বা ব্লগ পোস্টেই সীমাবদ্ধ নয়। সমাজকে নাড়া দিতে এবং নতুন প্রতিভাদের কর্মক্ষেত্রের মূল স্রোতে যুক্ত করতে আমরা বেশ কয়েকটি অতি মর্যাদাপূর্ণ বার্ষিক ইভেন্ট ও উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকি:

কে হবে বাংলার অপরাজিতা? (Ke Hobe Banglar Aparajita?)

এটি সমগ্র পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ এবং সবথেকে সম্মানজনক নারী ট্যালেন্ট হান্ট রিয়েলিটি প্রতিযোগিতা। এই ইভেন্টের মাধ্যমে বাংলার পিছিয়ে পড়া জেলাগুলো থেকে প্রতিভাবান এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীদের খুঁজে আনা হয়। তাদের শুধুমাত্র মঞ্চ দেওয়া হয় না, বরং তাদের সুদৃঢ় ব্যক্তিত্ব গঠন, গ্রুমিং ও মডেলিং ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আমাদের "সিজন ২" (Season 2) বিপুল সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। এই সিজনের মূল মুখ (Face of Season 2) ছিলেন বাংলার জনপ্রিয় প্রথম সারির অভিনেত্রী সোহিনী গুহ রায় (যিনি ময়ূরপঙ্খী, দ্বিতীয় বসন্ত, রেশম ঝাঁপি ও আবার কাঞ্চনজঙ্ঘার মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন)। এবং শো-স্টপার হিসেবে আমাদের গ্র্যান্ড ফিনালে আলো করেছিলেন অত্যন্ত প্রিয় অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (জি বাংলার 'গৌরী এলো' এবং 'কে প্রথম কাছে এসেছি' খ্যাত)। আমাদের এই সিজনের অত্যন্ত কঠোর ও অভিজ্ঞ বিচারক মণ্ডলীর আসনে ছিলেন কাটোয়া থেকে উঠে এসে সাফল্য পাওয়া বিশিষ্ট অভিনেত্রী মৌলী দত্ত, বিখ্যাত মডেল বর্ণিনী চক্রবর্তী এবং প্রতিযোগীদের আন্তর্জাতিক মানের তৈরি করার দায়িত্বে ছিলেন গ্রুমার ও মেন্টর পারমিতা ব্যানার্জী

থিমেটিক ও স্ট্রিট শুট সমূহ ( Puja & Street Banner Shoots)

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আমরা প্রতি বছর থিমেটিক ব্যানার শুটের আয়োজন করি, যা বাঙালি নারীর চিরন্তন সাজ, ঐতিহ্য ও আধুনিক চেতনার মেলবন্ধন ঘটায়। এছাড়াও আমাদের 'স্ট্রিট ফটোশুট' উদ্যোগের লক্ষ্য হলো স্বাভাবিক প্রাত্যহিক জীবনের পরিবেশে নারীর প্রকৃত অভিব্যক্তি ও অদম্য রূপকে ক্যামেরাবন্দী করা, যা কৃত্রিম স্টুডিও লাইটের বাইরে তাদের সহজ-সরল জীবনের বাস্তব রূপকে তুলে ধরে।

আমাদের সাথে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব ও বিজ্ঞাপনী প্রস্তাব (Partner With Us)

হৃদয়ে অপরাজিতা আজ একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, যার পাঠক সংখ্যা দিনে দিনে বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি যদি আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার বাড়াতে এবং সরাসরি বাংলার লক্ষ লক্ষ নারীদের মনের মনিকোঠায় পৌঁছাতে চান, তবে হৃদয়ে অপরাজিতা আপনার জন্য সেরা সহযোগী:

২০,০০০+
প্রতি সংখ্যায় মুদ্রিত কপি
৬০,০০০+
আনুমানিক নিয়মিত পাঠক
৩০ লক্ষ+
ডিজিটাল ও ইভেন্ট মিডিয়া রিচ
১৮ - ৪৫
টার্গেটেড এগ্রিকালচার ডেমোগ্রাফিক

আমাদের অফলাইন প্রিন্ট সংস্করণটি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে ডিস্ট্রিবিউট করা হয়। এটি একটি বার্ষিক প্রকাশনা চক্র অনুসরণ করে এবং প্রতিটি পৃষ্ঠায় উচ্চমানের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সহযোগী ব্র্যান্ডকে সর্বোচ্চ ভিজিবিলিটি এনে দেয়।

বিজ্ঞাপনের মূল সুবিধাসমূহ:
অনন্য ভিজিবিলিটি: আমাদের আউটডোর ব্যানার শুট, ডিজিটাল কভারেজ এবং মূল ইভেন্টের মাধ্যমে ৩ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হয়।
নির্দিষ্ট গ্রাহক দল: ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী প্রগতিশীল, স্বাবলম্বী এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম কোটি কোটি বাঙালি নারীদের কাছে সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগ।
ইনফ্লুয়েন্সার ও তারকাদের সমর্থন: বাংলার জনপ্রিয় সেলিব্রিটি ও প্রতিযোগীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের শক্তিতে ভর করে ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি।
আভিজাত্য ও গৌরবমন্ডিত অ্যাসোসিয়েশন: বাংলার সবথেকে সম্মানিত নারী কন্টেন্ট ও প্রতিযোগিতামূলক ব্র্যান্ডের সাথে আপনার নাম যুক্ত করার সুযোগ।

আমাদের সাথে যুক্ত হোন আজই

আপনার ব্র্যান্ডের অগ্রযাত্রাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং বাংলার প্রতিভাবান নারীদের সমর্থনে আমাদের অংশীদার হন।

যোগাযোগ করুন: +91-8910-981420
ইমেইল: aparajitamagazine2019@gmail.com

ভবিষ্যতের লক্ষ্য ও আমাদের অঙ্গীকার

হৃদয়ে অপরাজিতা বাংলার প্রতিটি কোণায় অবহেলিত প্রতিভাকে আলোয় ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, যখন একটি নারী জয়ী হন, তখন সমগ্র সমাজ এগিয়ে যায়। আমাদের প্রতিটি শব্দের পেছনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য মায়ের ত্যাগ, বোনের স্বপ্ন এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তির গল্প। আমাদের এই লড়াইয়ে, আমাদের এই শিল্প যাত্রায় এবং এই সুন্দর বাংলা কৃষ্টিকে ধারণ করতে আপনারা আমাদের পাশে থাকুন। চেনা জীবনের অচেনা সুরগুলো একদিন আকাশ স্পর্শ করবেই — এই দৃঢ় বিশ্বাসেই আমাদের প্রতিটি অক্ষর রচিত হয়। আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আমাদের পরিবারের অংশ হওয়ার জন্য আপনাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।

হৃদয়ে অপরাজিতা লোগো